Posts

নাগরনো-কারাবাখ: ইউরেশিয়ার কাশ্মীর

ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্তে অবস্থিত দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের দুটি দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভের পূর্ব থেকেই নাগরনো-কারাবাখ ছিটমহল নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী দেশ দুটি যা পরবর্তীতে রুপ নেয় সীমান্ত সংঘাতে। সম্প্রতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে শতবর্ষ পুরনো এ দ্বন্দ্ব। ১৯৯০ সালের যুদ্ধে রাশিয়ার অস্ত্র ও সাহায্যে সে সময় নাগরনো-কারাবাখ সহ আজারবাইজানের আরো ৭টি জেলা দখল করে নেয় আর্মেনিয়া। যুদ্ধে ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। বাস্তচ্যুত হয় প্রায় ১০ লাখ আজেরি নাগরিক। এ সুযোগে সেখানে আর্মেনীয়রা ব্যাপকহারে বসতি স্থাপন করে। ১৯৯৪ সালে যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হয়। নাগরনো-কারাবাখ নাগরনো-কারাবাখ আর্মেনীয় শব্দ 'আর্টসাখ' নামে পরিচিত। ৪ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের নাগরনো-কারাবাখ আর্মেনিয়ার অধীনে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। তাদের রয়েছে নিজস্ব সরকার ব্যবস্থা এবং সেনাবাহিনী। অঞ্চলটির মানুষ খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং জাতিতে আর্মেনীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। স্ব-ঘোষিত দেশটির প্রধান শহর স্টেপানাকার্ট । পাহাড় বেষ্টিত অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইনের অংশ বলে স্বীকৃত হলেও প্রায় ৩ দশ...

ঈরান-যুক্ত্ররাস্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ আর তার শক্তিশালী মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরান তার গুটিকয়েক মিলিশিয়া বাহিনী নিয়ে ৩য় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করবে বলে আমি বিশ্বাস করিনা । ইরানকে রাশিয়া সাহায্য করার দিন ও আর নাই (রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো না, তাছাড়া সিরিয়া তে রাশিয়া যুদ্ধে জড়িয়ে বসে আছে, নতুন করে ইরানের পক্ষে আবার যুদ্ধে জড়াবে বলে মনে হয়না ), চীন তো ভুলেও এগুলার মধ্যে নাই সুতরাং ইরানের পাশে কেউ নাই । মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্প যুদ্ধ না চাইলেও ইসরাইল প্রাণপণে ইরানের ধ্বংস চাইবে আর আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্প এর ও লাভ হবে তাই বলা যায় হয়তো বা ইরানের পরিণতি আফগানস্তানের মতো হবে । ইরানের পাশে কোন বিশ্বশক্তি যোগ দিলেই ৩য় বিশ্বযুদ্ধ সম্ভব তাই WWIII হ্যাশট্যাগ দিয়ে লাফা লাফি কইরেন নাহ, এখন কেউ আবার ভাববেন না যে কিম জং উন চাচার উ. কোরিয়া ইরানের সাথে যোগ দিবে